আফাজউদ্দিন
এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর কুষ্টিয়া-১
আসনের আফাজ উদ্দিন আহমেদের আয় ও সম্পদ দুটোই বেড়েছে। ২০০৮ সালে দেয়া হলফনামা থেকে জানা যায়, ওই সময় তার আয় বার্ষিক আয় ছিল কৃষি ও দোকান ভাড়া থেকে ৭৪ হাজার টাকা। আত্মীয়-স্বজনের দানেই তিনি চলেছেন। পাঁচ বছরে তার বার্ষিক আয় ৭৪ হাজার টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ১৫ হাজার টাকা। এমপি হিসেবে সম্মানী ভাতা বাবদ আয় দেখানো হয়েছে তিন লাখ ৩০ হাজার টাকা। ২০১৩ সালে কৃষিখাতে আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নগদ টাকার পরিমাণ দুই হলফনামাতে একই দেখানো হয়েছে। কৃষি ব্যাংক দৌলতপুর শাখায় ৫৪ হাজার টাকা জমা আছে। তবে আফাজ উদ্দিনের কৃষি জমি বেড়েছে। এছাড়া আগে কোন প্রাইভেটকার বা যানবাহন না থাকলেও এবার একাধিক প্রাইভেট গাড়ি রয়েছে, যার মূল্য ৫৯ লাখ ৬৪ হাজার ২৩৮ টাকা। এছাড়া ৯ ভরি স্বর্ণ রয়েছে যার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫ হাজার টাকা। পৈতৃক সূত্রে পাওয়া জমির পরিমাণ ২৭ একর, যার মূল্য নবম ও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই মূল্য নির্ধারণ করে দেখানো হয়েছে ২২ লাখ টাকা। দৌলতপুরে একটি দোতলা বাড়ি রয়েছে আফাজ উদ্দিনের নামে।
RSS Feed
Twitter
8:48 AM
Junaid Abedin
Posted in
0 মন্তব্য(গুলি):
Post a Comment